मुद्दाThe Mudda নাগরিক-প্রথম · সংবিধান-প্রথম

बेबाक · Editorial

যখন নদীর জল বাড়ে: ভারতের বর্ষাকালীন বন্যা কোনো দৈব দুর্বিপাক নয়, বরং প্রশাসনের এক পরীক্ষামাত্র

মহানদী থেকে পাঞ্জরা—এবারের বর্ষা পুনরায় চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, জলের আগমন অনিবার্য বলে জানা সত্ত্বেও রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রস্তুতি কতটা নড়বড়ে।

बेबाक — The Mudda Editorial Desk · ⚖️ Reform

জলের মরশুম

বর্ষা পুনরায় রাষ্ট্রযন্ত্রকে আংশিক অপ্রস্তুত অবস্থায় দাঁড় করিয়েছে। ওড়িশায় স্ফীত মহানদীর মাঝে হীরাকুদ বাঁধের ২২টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, খোর্দা জেলার ওরাবরসিংহ পঞ্চায়েতের অন্তর্গত হিরিমুলা, দিহাখালা এবং ওরাবরসিংহ গ্রামে রাজুয়া নদীর বন্যার জল ঢুকে সেগুলোকে বহির্বিশ্ব থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। মহারাষ্ট্রের ধুলেতে সারাদিন ধরে অবিরাম বৃষ্টির পর ১৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত পাঞ্জরা নদীতে ভয়াবহ বন্যা ডেকে এনেছে এবং রাতারাতি রাস্তাঘাট জলের তলায় তলিয়ে গেছে। গুজরাটে জারি করা লাল সতর্কতা আগামী ৪৮ ঘণ্টাকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক করে তুলেছে। এগুলো কেবল বিচ্ছিন্ন আবহাওয়ার খবর নয়। এগুলো সেই রূঢ় বাস্তবকে মনে করিয়ে দেয় যে, বর্ষার পূর্বপরিচিত ঝুঁকিগুলো আজও বারবার নাগরিক বিপর্যয়ে পরিণত হয়।

আবহাওয়া বনাম প্রশাসন

এখানে একটি সত্য নির্দ্বিধায় স্বীকার করা উচিত। কোনো প্রশাসনের হাতেই মেঘ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা নেই এবং নদীর জলস্তর বৃদ্ধির মাঝে কোনো বাঁধের ২২টি গেট খুলে দেওয়ার অর্থ হতে পারে তাৎক্ষণিক জলস্তরের চাপের মোকাবিলা করা। সারাদিনের টানা বৃষ্টির পর ১৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত যেকোনো প্রশাসনের অধীনেই নিচু এলাকাগুলোকে প্লাবিত করতে পারে। এছাড়া ধুলে, ওড়িশা এবং গুজরাটের সতর্কতাগুলো অন্তত এটাই প্রমাণ করে যে কর্তৃপক্ষ জনসাধারণকে সতর্ক করছে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে রাষ্ট্র কোনো উপহাস বা সহজ দোষারোপের যোগ্য নয়। তবে সতর্কতা আর ত্রাণ এক জিনিস নয়। বাঁকির সবজি বলয় যখন ক্রমবর্ধমান বন্যার জলের সঙ্গে লড়াই করে এবং কৃষকরা ফসল বাঁচাতে সময়ের বিরুদ্ধে ছুটতে থাকেন, তখন প্রশ্নটি আর কেবল আবহাওয়া-বিজ্ঞানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না।

এক নদী, দুই দাবি

জলের রাজনীতি আরও গভীর এক দ্বন্দ্বকে উন্মোচিত করে। তামিলনাড়ুতে কাবেরী নদীর ওপর মেকাদাতু প্রকল্পের প্রতিবাদে ধর্মপুরী জেলার হোগেনাক্কালে ডিএমডিকে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে, যা নদীর উজানে বাঁধ নির্মাণ নিয়ে ভাটি অঞ্চলের উদ্বেগেরই প্রতিফলন। আবার ওড়িশার কেন্দুঝরে, জলসম্পদ দপ্তর এবং উদলা সেচ বিভাগের এক উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল পাটনা ব্লকের টাঙ্গরপদা পঞ্চায়েতের অন্তর্গত নূয়াপাড়ায় বৈতরণী নদীর ওপর একটি ব্যারেজ নির্মাণের দাবি খতিয়ে দেখেছে। একটি জনপদ বাঁধের আশঙ্কায় ভীত; অন্যটি বাঁধ চাইছে। দুটি দাবিকেই তাদের নিজস্ব প্রেক্ষাপটে শোনা প্রয়োজন। নদী কোনো জেলা বা রাজ্যের সীমানা মানে না এবং যে পরিকাঠামো নদীর একটি অংশের জন্য সহায়ক হয়, তা অন্য অংশের জন্য প্রশ্ন তুলে ধরতে পারে। যে জল-প্রশাসন নদী অববাহিকার সামগ্রিক কথা না ভেবে প্রতিটি প্রকল্পকে বিচ্ছিন্নভাবে বিবেচনা করে, তা চিরস্থায়ী বিবাদেরই জন্ম দেয়।

জল নেমে যাওয়ার পর

একটি সরকারের আসল মাপকাঠি হলো বন্যার ঠিক পরের পদক্ষেপ। ওড়িশায়, পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রী গ্রামোন্নয়ন ও পঞ্চায়েতি রাজ দপ্তরকে আগামী তিন দিনের মধ্যে ক্ষতির মূল্যায়ন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এই পদক্ষেপ অত্যন্ত সময়োচিত এবং এটিকে দ্রুততা ও সততার সাথে পালন করা উচিত। কিন্তু ফসল নষ্ট হওয়া, রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া বা পরিবারগুলোর বাস্তুচ্যুত হওয়ার পর যে ক্ষতির প্রতিবেদন জমা পড়ে, তা কেবল ক্ষতিপূরণ, কোনো সুরক্ষা নয়। ত্রাণ দেওয়া একটি কর্তব্য; এটি কোনো বন্যা-নীতি হতে পারে না। বরং, পরবর্তী ভারী বর্ষণের আগে কোন রাস্তাগুলো ধসে যায়, কোন জনপদগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং কোন জীবিকাগুলোর সুরক্ষা প্রয়োজন—তার একটি স্থায়ী খতিয়ান তৈরিতে এই প্রতিবেদনগুলোর সাহায্য নেওয়া উচিত।

আগামী দিনের রূপরেখা

ভারতের বন্যা মোকাবিলার পদ্ধতিকে বিক্ষিপ্ত সতর্কতা জারি থেকে একটি পরিকল্পিত স্থিতিস্থাপকতার দিকে এগোতে হবে। প্রধান নদী অববাহিকাগুলোর জন্য একটি সমন্বিত ও সর্বজনীন বন্যা-ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রয়োজন। এই পরিকল্পনায় হীরাকুদের মতো উজানের জলাধার এবং খোর্দার মতো ভাটির গ্রামগুলোকে একটি অভিন্ন জলতাত্ত্বিক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে, যেখানে সম্ভব হলে মরশুম শুরুর আগেই জলাধারের জল ছাড়ার নিয়মগুলো স্বচ্ছভাবে নির্ধারণ করা উচিত। কাবেরী নদীর প্রকল্প নিয়ে আন্তঃরাজ্য বিবাদ এবং বৈতরণীতে ব্যারেজ নির্মাণের দাবিগুলো কেবল পথেঘাটে নয়, বরং জলতত্ত্ব, পরিবেশগত নিরীক্ষা ও জনমতের ভিত্তিতে গঠিত অববাহিকা-ভিত্তিক স্থায়ী কাঠামোর মধ্যে সমাধান হওয়া উচিত। প্রতিটি বন্যাপ্রবণ জেলার উচিত বর্ষার আগে একটি দুর্বলতার মানচিত্র এবং বর্ষার পরে একটি নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশ করা। বৃষ্টি একমাত্র জরুরি অবস্থা নয়। আসল দুর্যোগ হলো আমাদের এই চরম অপ্রস্তুতি।

বন্যা হলো প্রাকৃতিক বিষয়; কিন্তু বন্যার জলে গ্রামগুলোর বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া আক্ষরিক অর্থেই প্রশাসনের এক অগ্নিপরীক্ষা।

আপনার সাংবিধানিক অধিকার

এই গল্পে সংবিধান কী নিশ্চয়তা দেয়
Article 14
Equality before law

The State shall not deny any person equality before the law or the equal protection of the laws. Like must be treated alike; the law cannot be arbitrary.

Fundamental Right
Article 19(1)(a)
Freedom of speech & expression

Every citizen has the right to freedom of speech and expression — including a free press and the right to know — subject only to the reasonable restrictions in Article 19(2).

Fundamental Right
Article 21
Right to life & personal liberty

No person shall be deprived of life or personal liberty except by a fair, just and reasonable procedure established by law — read by the courts to include dignity, privacy, health, a clean environment and livelihood.

Fundamental Right
Article 32
Right to constitutional remedies

The right to move the Supreme Court directly to enforce fundamental rights — called by Dr Ambedkar "the heart and soul of the Constitution." The courts can issue writs such as habeas corpus and mandamus.

Fundamental Right

What this editorial rests on

Drawn from our live multi-newsroom feed — read the reporting at source.

আন্দোলনে যোগ দিন।

একবারে একটি নির্ভীক সম্পাদকীয়-আপনার ভাষায়। এছাড়াও সাংবিধানিক অনুরোধ অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।

বর্ষাবন্যাজল-প্রশাসনবিপর্যয়-মোকাবিলানদী

An editorial is the considered opinion of The Mudda desk, argued from the sourced reporting above and written under our published persona, बेबाक. We name institutions and actors; we do not endorse or attack any political party. "The Mudda's Ask" is a citizen's good-faith policy proposal, grounded in the Constitution — not the platform of any party. Translations are faithful — no fact is added in any language. If we are wrong, we will say so. How we work →

← All editorials Live desk · takes Home